পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে যাবে বাংলাদেশ

দীর্ঘদিন ধরে উপস্থাপনা করছেন শ্রাবণ্য তৌহিদা। বিশেষ করে ক্রীড়াভিত্তিক অনুষ্ঠানে তাকে বেশি পাওয়া যায়। এশিয়া কাপ উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করছেন। গতকাল তার সঙ্গে কথা বলেছেন কামরুল ইসলাম।

 

নতুন শো ক্রিকবাজ

ক্রিকেট নিয়ে আগেও অনেক অনুষ্ঠান করেছেন শ্রাবণ্য। এখন করছেন ‘ক্রিকবাজ’। এটি প্রচারিত হচ্ছে নাগরিক টিভিতে, এশিয়া কাপের প্রতিটি ম্যাচের আগে। শো-টি নিয়ে তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটের অন্যান্য শোয়ের মতোই।

 বিভিন্ন ক্রিকেটার ও ক্রীড়া বিশ্লেষক অতিথি হয়ে আসেন, আর ম্যাচের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।’

শ্রাবণ্যের চোখে বাংলাদেশ

এশিয়া কাপে অংশ নিয়েছে আটটি দল। এরই মধ্যে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ সম্পন্ন হয়েছে। শুরু হয়েছে সুপার ফোর পর্বের খেলা।

 এশিয়া কাপে বাংলাদেশের অবস্থান কেমন, তা নিয়ে শ্রাবণ্যের ব্যাখ্যা এ রকম, ‘সত্যি বলতে, শুরুতে কোনো প্রত্যাশাই ছিল না। কিন্তু আস্তে আস্তে যখন সুপার ফোরে উঠে এলো, তখন আশান্বিত হয়েছি। এর মধ্যে শ্রীলঙ্কাকেও হারিয়েছে। আমার বিশ্বাস, পাকিস্তানকেও হারাবে এবং ফাইনালে যাবে বাংলাদেশ। এর আগে ২০১২ ও ২০১৪ সালেও বাংলাদেশ এশিয়া কাপের ফাইনালে গিয়েছিল।
কিন্তু শিরোপা জেতা হয়নি।’

কার হাতে শিরোপা

যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে ক্রিকেটবিষয়ক অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করছেন, এ খেলাটা ভালোই বোঝেন শ্রাবণ্য। সে অভিজ্ঞতার আলোকেই তাঁর কাছে জানতে চাওয়া, এবারের এশিয়া কাপ কার হাতে দেখছেন? ‘অবশ্যই ভারতের দিকেই সম্ভাবনা বেশি। তবে চাইব বাংলাদেশ জিতুক’—বললেন শ্রাবণ্য।

ক্রিকেটেই আনন্দ

সঞ্চালনা মানে প্রশ্ন করা, অতিথিদের সঙ্গে করতে হয় বিষয়ভিত্তিক আলোচনাও। কিন্তু কোন বিষয়ে কথা বলতে কিংবা প্রশ্ন করতে বেশি ভালো লাগে শ্রাবণ্যের? জবাবটা দিলেন পেশাদারের মতোই, ‘পেশাদার উপস্থাপক হিসেবে বললে, আমার কাছে সব অনুষ্ঠানই সমান। স্পোর্টস, বিনোদন কিংবা রান্না সব ধরনের শোতে আমি স্বতঃস্ফূর্ত। কোনো শোয়ের জন্যই আমার খুব বেশি প্রস্তুতি নিতে হয় না। স্বল্প প্রস্তুতিতেও ভালোভাবে শো সম্পন্ন করতে পারি। ব্যক্তিগত ভালোলাগার কথা বললে, স্পোর্টস শোগুলো বেশি উপভোগ করি। স্পোর্টসের নানা বিষয়ে কথা বলতে, জানতে ভালো লাগে।’

ফিরবেন অভিনয়ে

উপস্থাপনার পাশাপাশি অভিনয়ও করেন শ্রাবণ্য। তবে অনেক দিন ধরে এ ভূমিকায় তাঁকে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে কি সরে গেলেন অভিনয় থেকে? ‘না, কিছুই ছাড়িনি। আমার সন্তান এখনো বেশ ছোট। ওর জন্যই একটা বিরতি নিয়েছিলাম। এখন আবার অভিনয়ে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছি। খুব শিগগির নাটকে দেখা যাবে আমাকে। এর চেয়ে বড় কোনো কাজেও পেতে পারেন। যেমন ওয়েব সিরিজ নিয়ে কথা হয়েছে। সামনে হয়তো করা হবে।’

সেবা-ধর্মে ধ্যান ও মন

শ্রাবণ্য একজন পেশাদার চিকিৎসক। অনেক দিন কর্মরত ছিলেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এখন আছেন নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে। সেবাধর্মের কাজটা মন দিয়েই করছেন। শ্রাবণ্য বলেন, ‘চিকিৎসায় সময় দিতে হয় বলেই তো নিয়মিত অভিনয় করতে পারি না। কারণ অভিনয়ের জন্য টানা লম্বা সময় দিতে হয়। উপস্থাপনাটা টুকটাক সময়ের মধ্যে করে ফেলা যায়। তাই এ কাজটা করতে পারি রেগুলার।’


Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *