এনসিপি-গণঅধিকার একীভূত হওয়ার গুঞ্জন, যা বললেন রাশেদ খান

ত্রয়োদশ নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল কিছুদিন ধরেই নির্বাচনের আগে-পরের জোটের চুলচেরা হিসাব মেলাতে ব্যস্ত।
এমন আবহে একীভূত হওয়ার চিন্তা করছে তরুণদের নেতৃত্বাধীন দুই রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)।
এনসিপি ও গণঅধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট অনেকটা একই রকম। দুটি দলেরই যাত্রা শুরু কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে।
২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গঠিত বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ ২০২১ সালে গণঅধিকার পরিষদে রূপ নেয়। আর ২০২৪ সালের কোটা আন্দোলনকে ঘিরে গড়ে ওঠা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্তরাই আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের কিছুদিন পর গড়ে তোলেন এনসিপি।
আসন্ন নির্বাচন ঘিরে রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে জিওপি ও এনসিপি একীভূত হয়ে এক দলে পরিণত হতে পারে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন বলেন, রাজনীতিতে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা সব সময় হয়। ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তাদের (এনসিপি) অনেকে আমাদের সঙ্গে রাজনীতি করেছে। যে কারণে তাদের ও আমাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভিন্ন আলোচনা আছে যে, কীভাবে দেশ ও জাতির কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করা যায়। তবে একীভূত হওয়ার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, আনুষ্ঠানিক কোনো বৈঠক বা পার্টি টু পার্টি আলোচনা হয়নি। সংস্কার, বিচার, নির্বাচন ইস্যুতে বিভিন্নজনের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে। তাদের সঙ্গে আমাদের বোঝাপড়া আছে। তবে এখনই সবকিছু নিয়ে মন্তব্য করার সময় আসেনি।